এন.জি অটোরিক্সার রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও আটক গাড়ি ছেড়ে দেয়ার দাবিতে সমাবেশ

প্রকাশিত: ৬:০৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৫
Wifi Support 3Lens 3Display Camera + 64GB Memory Card

Wifi 3Lens 3Display Camera

৳8,000.00 ৳6,000.00
  • ✅ 360° কভারেজ: ৩টি শক্তিশালী লেন্সে।
  • ✅ অলরাউন্ডার: WiFi, নাইট ভিশন ও মুভমেন্ট অ্যালার্ট।
  • ✅ ৩ ডিসপ্লে: একসাথে ৩টি ভিউ মনিটরিং।
  • ✅ ওয়ারান্টি: Champion Brand এর ১ বছরের ওয়ারান্টি।
অফার মূল্যে কিনুন! WhatsApp এ অর্ডার করুন

বৈধ উপায়ে সরকারকে নির্ধারিত ট্যাক্স ও ভ্যাট ফি প্রদান করে ক্রয়কৃত সি.এন.জি চালিত অটোরিক্সার রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও অন্যায়ভাবে আটক শতশত গাড়ি ছেড়ে দেয়ার দাবিতে সিলেটের দক্ষিণ সুরমারচন্ডিপুল পয়েন্টে বুধবার আজ (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টায় বিশাল শ্রমিক সমাবেশের ডাক দিয়েছে রেজিস্ট্রেশনবিহীন সি.এন.জি. চালিত অটোরিক্সা মালিক/শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ।
এদিকে দক্ষিণ সুরমার বাবনা মোড়ে সমাবেশ সফলের লক্ষে গতকাল রেজিস্ট্রেশনবিহীন সি.এন.জি. চালিত অটোরিক্সা মালিক/শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে ও মো. শাহজাহান মিয়ার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন তাজপুর কদমতলা শাখার সভাপতি সুন্দর আলী খান, গোয়ালাবাজার-৭০৭ সভাপতি মো. জিলু মিয়া, মৌলভীবাজার লাইনের সাধারণ সম্পাদক মো. আলতাফ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজা আহমদ রাজা, লালাবাজার শাখা-৭০৭ এর সভাপতি শফিক মিয়া, দয়ামীর শাখার সভাপতি মকবুল হোসেন, ঘরপুর শাখার সভাপতি আব্দুল জলিল, আজিজপুর শাখার সভাপতি চান্দ আলী মিয়া, ঘরপুর মাদ্রাসা শাখা-২০৯৭ এর সভাপতি খালেদ আহমদ, জালালপুর ইউনিয়ন-৭০৭ সভাপতি শেখ সুহেল, বৈরাগী শাখার সভাপতি দুলাল আহমদ, মোগলাবাজার-৭০৭ এর সভাপতি সেবুল আহমদ, বিশ্বনাথ শাখার সভাপতি এবাদুল আহমদ, আল-হেরা বিশ্বনাথ-৭০৭ সভাপতি ওয়ারিছ খা, বিশ্বনাথ পয়েন্ট শাখার সভাপতি কুতুব উদ্দিন, রামপাশা শাখা-২০৯৭ সভাপতি আব্দুল মন্নান, রেলগেইট শাখা সভাপতি আলাল মিয়া, ৭০৭ সভাপতি গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, সিলেটে প্রায় ৪/৫ হাজার সি.এন.জি চালিত অটোরিক্সা বৈধ উপায়ে সরকারকে নির্ধারিত ট্যাক্স ও ভ্যাট ফিঃ প্রদান করে ক্রয় করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবৎ এই বিষয়ে আবেদন নিবেদন করে, রেজিস্ট্রেশন ফিঃ প্রদান করার পরও গাড়িগুলির রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হচ্ছে না। যার কারণে হাজার হাজার গরীব মালিক ও শ্রমিকের জীবিকা নির্বাহের পথ বন্ধ রয়েছে। পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে কেউ কেউ গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হলে পুলিশ প্রশাসন ৮-১০ হাজার টাকা জরিমানা ও গাড়ি আটক করছে। বর্তমানে শতশত গাড়ি পুলিশের কাছে আটক আছে। অথচ সরকার ঘোষিত বেআইনি ব্যাটারি চালিত রিক্সা, টমটম, ইজিবাইক, নসিমন, করিমন ইত্যাদি যানবাহন দ্বারা সিলেটের মেট্রো ও উপজেলাগুলোতে বাধাহীনভাবে চলাচল করলেও পুলিশ বা বিআরটিএ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। কেবলমাত্র সি.এন.জি চালিত অটোরিক্সার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ও জরিমানার নামে বিরাট অংকের টাকা আদায়ের প্রতিযোগিতায় পুলিশ ব্যস্ত। গাড়িগুলোর রেজিস্ট্রেশন প্রদান, অন্যায়ভাবে আটক শতশত গাড়ি ছেড়ে দেয়া ও আইন প্রয়োগের নামে অত্যাচার-নির্যাতন বন্ধের দাবিতে ৫ ফেব্রুয়ারি সমাবেশের ডাক দেয়া হয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন