
Wifi 3Lens 3Display Camera
- ✅ 360° কভারেজ: ৩টি শক্তিশালী লেন্সে।
- ✅ অলরাউন্ডার: WiFi, নাইট ভিশন ও মুভমেন্ট অ্যালার্ট।
- ✅ ৩ ডিসপ্লে: একসাথে ৩টি ভিউ মনিটরিং।
- ✅ ওয়ারান্টি: Champion Brand এর ১ বছরের ওয়ারান্টি।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুর আমলে ভারত এবং মালদ্বীপের সম্পর্ক ফের আলোচনার কেন্দ্রে চলে এল। নেপথ্যে মার্কিন সংবাদপত্র ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’-এর একটি প্রতিবেদন।
সেখানে দাবি করা হয়েছে, চলতি বছরের গোড়ায় মুইজ্জুকে ‘ইমপিচ’ (পদ থেকে সরানো) করার জন্য ভারতের সাহায্য চেয়েছিল মলদ্বীপের বিরোধী দল মলদিভিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি (এমডিপি)।
নয়াদিল্লির কাছ থেকে নাকি ৬ বিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকারও বেশি) চাওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত মুইজ্জুকে সরানোর পরিকল্পনা কার্যকর করা যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।
‘ওয়াশিংটন পোস্ট’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, মুইজ্জুকে পদচ্যুত করতে মালদ্বীপের পার্লামেন্টের ৪০ জন সদস্যকে ঘুস দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। এই ৪০ জনের মধ্যে মুইজ্জুর নিজের দল (পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস)-এর সদস্যেরাও ছিলেন। কিন্তু মুইজ্জুকে সরানোর জন্য যথেষ্ট সংখ্যক ভোট সুনিশ্চিত করা যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে এ-ও বলা হয়েছে, মুইজ্জুকে সরানোর পরিকল্পনা নিয়ে ভারতীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে আলোচনা হয় মালদ্বীপের বিরোধী দলের নেতাদের। তবে ভারত সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রতিবেদনে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট তথা বিরোধী দলের প্রধান মোহম্মদ নাসিদ এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘এই ধরনের পরিকল্পনার কথা আমার জানা নেই। ভারত কখনো এই ধরনের পদক্ষেপকে সমর্থন করবে না। কারণ তারা মালদ্বীপের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করে।’
এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে নয়াদিল্লির পক্ষ কিছু জানানো হয়নি। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন



