
Wifi 3Lens 3Display Camera
- ✅ 360° কভারেজ: ৩টি শক্তিশালী লেন্সে।
- ✅ অলরাউন্ডার: WiFi, নাইট ভিশন ও মুভমেন্ট অ্যালার্ট।
- ✅ ৩ ডিসপ্লে: একসাথে ৩টি ভিউ মনিটরিং।
- ✅ ওয়ারান্টি: Champion Brand এর ১ বছরের ওয়ারান্টি।
সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ:মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে আওয়ামীলীগের দোসর ছাত্র- জনতার আন্দোলনে বিরোধিতাকারী মোক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, চিত্রকোট ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মাহমুদ মান্নান। বুধবার দুপুরে সিরাজদিখান প্রেসক্লাব হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে রিয়াজ মাহমুদ মান্নান বলেন, এই মোক্তার হোসেন চিত্রকোট ইউনিয়নের গোয়ালখালী গ্রামের মৃত আয়নাল খানের ছেলে। সে মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী, জালিয়াত চক্রের হোতা। গত ১৬ বছরে নানা অপকর্ম করে শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তার বাবা ছিলো চোর, তাদের বাড়ি ছিলো রাজানগর, চুরির দায়ে এলাকা ছাড়া হয়ে চিত্রকোট এসে বাড়ি করেন তার বাবা।
এই মোক্তার গত ৫ আগস্ট পর্যন্ত বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বিরোধিতা করেছেন। ছাত্রদের বিরুদ্ধে ফেইসবুকে নানা ধরনের পোস্ট দিয়েছেন। সে কারণে ছাত্র ও এলকাবাসী মানববন্ধন করেছিলো। এছাড়াও মোক্তারের বিরুদ্ধে হিন্দু সম্প্রদায়, এলাকার ভুক্তভোগীরা একাধিক মামলা করেছে। বিভিন্ন পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। সে সময় তার ক্ষমতা থাকায় কোন প্রতিকার পায় নাই অসহায় ভুক্তভোগীরা।
সে একটি প্রাইভেট ব্যাংকের কেরানি থেকে আজ শত কোটি টাকার মালিক। ব্যাংকে টাকা নিয়ে আত্মসাদ ও দুর্নীতির দায়ে চাকুরীচ্যুত হয়েছিলেন। পরে সিরাজদিখানে দলিল লিখকের কাজ করতেন। আজ সে শত কোটি টাকার মালিক, ঢাকা ও গ্রামে বেশ কটি আলিসান বাড়ি, চলার জন্য একাধিক গাড়ি, মার্বেল টাইলস ফ্যাক্টরী, এগ্রো কোম্পানী, দেশি-বিদেশি গরু, গারল, দুম্বার খামারের মালিক হয়েছেন।
সরকারি সম্পত্তি জালিয়াতি, হিন্দু সম্পত্তি দখল, ভূমিদস্যুতায় গোলাগুলি করে নিজেও গুলিবিদ্ধ হয়েছিলো।
৫ আগস্টের পর সে ইন্ডিয়া পালিয়ে যায়। দুই-আড়াই মাস ইন্ডিয়া অবস্থান করেন। এরপর দেশে ফিরে এসে ঢাকায় অবস্থান করে। বর্তমানে বিএনপির কয়েজন নেতা ও স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিকের সাথে সখ্যতা করে সিরাজদিখানে০ অবস্থান করে ফ্যাসিবাদি হাসিনার এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাচ্ছে।
৬ আগষ্ট স্থানীয় ছাত্র জনতা তার বাড়িতে ভাঙচুর করে। সেই ভাঙচুরের একটি মামলা করে এখন এই মোক্তার এলাকার নিরীহ মানুষকে হয়রানি করছে। আমাকেও সেই মামলায় জড়ানো হয়েছে। এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানাই। সেই সাথে তার নানা অপকর্ম, অবৈধ টাকার উৎস, জমি জালিয়াতি, ছাত্র জনতার বিরোধিতা কারী এখন আবার আওয়ামীলীগকে প্রতিষ্ঠিত করতে পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে।
বিষয়টি প্রশাসনসহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণে অনুরোধ জানচ্ছি।



