হাওরের পরিকল্পিত উন্নয়ন ছাড়া কৃষি ও পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব নয়: অতিরিক্ত সচিব মো. রেজাউল করিম

প্রকাশিত: ১০:২১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৫
Wifi Support 3Lens 3Display Camera + 64GB Memory Card

Wifi 3Lens 3Display Camera

৳8,000.00 ৳6,000.00
  • ✅ 360° কভারেজ: ৩টি শক্তিশালী লেন্সে।
  • ✅ অলরাউন্ডার: WiFi, নাইট ভিশন ও মুভমেন্ট অ্যালার্ট।
  • ✅ ৩ ডিসপ্লে: একসাথে ৩টি ভিউ মনিটরিং।
  • ✅ ওয়ারান্টি: Champion Brand এর ১ বছরের ওয়ারান্টি।
অফার মূল্যে কিনুন! WhatsApp এ অর্ডার করুন

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রেজাউল করিম বলেছেন, মানুষের স্বার্থে পরিবেশের প্রয়োজনে হাওরের উন্নয়ন করতে হবে। হাওরের পরিকল্পিত উন্নয়ন ছাড়া কৃষি ও পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব নয়। এছাড়া হাওরকে ঘিরে পর্যটন এলাকা গড়ে তুলতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে। জনগোষ্ঠীর কল্যাণ ও জীববৈচিত্র রক্ষায় হাওরগুলোকে রক্ষা করতে হবে।

তিনি রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর আয়োজিত হাওর উৎসব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজান ধল হাওরের কালনী নদীর পাড়ে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ডঃ মোঃ ইলিয়াস মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উৎসবে মুখ্য আলোচকের বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের। আলোচকের বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আখতারুজ্জামান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন  সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার আ.ফ.ম. আনোয়ার হোসেন খান।

Saree

Beautiful Designer Saree

Perfect for all occasions. Grab yours now!

Buy Now on Amazon

দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজীব সরকার এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন নেত্রকোনার হরলাল সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শামীম আহমদ, মৌলভীবাজারের অধ্যাপক মোঃ মহসিন, কিশোরগঞ্জের ইবাদুর রহমান বাদল, সিলেটের রোটারিয়ান এম এ রহিম, হবিগঞ্জের নজরুল ইসলাম বাবুল, সুনামগঞ্জের শেখ বাবুল মিয়া।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আখতারুজ্জামান বলেন, দেশের হাওর বেষ্টিত জেলাগুলোকে ঘিরে আমাদের কার্যক্রম চলছে। হাওর ও জলাভূমি রক্ষাকল্পে বেশ কয়েকটি জেলায় বড় কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। তিনি জলাভূমিতে বেশি করে মাছ চাষ ও তা সংরক্ষণ করার আহ্বান জানান।

কুরআন তেলাওয়াত এবং গীতা পাঠের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই উৎসবে দেশের বিভিন্ন জেলার ১২’শ প্রতিনিধি  অংশগ্রহণ করেন। এ উপলক্ষে একটি প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়। অতিথিরা মেলা ঘুরে দেখেন এবং হাওর অঞ্চলে অনুষ্ঠিত এই উৎসবের সামগ্রিক পরিবেশ দেখে অভিভূত হন। অনুষ্ঠানে অতিথি ও আয়োজকদের  সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। উৎসবের শেষে সিলেট বিভাগ ও ময়মনসিংহ বিভাগের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং গম্ভিরা, সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গাছের চারা বিতরণ করা হয় ।

উল্লেখ্য এই অনুষ্ঠান আয়োজনে ট্যুরিজম বোর্ড, আইডব্লিউএম, সিইজিআইএস, গ্রামীন জনকল্যাণ সংসদ সহযোগী হিসাবে কাজ করে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন