

‘দেলোয়ার হোসেন দিলু’
ঝাকড়া চুলের একটি মানুষ ভাষায় মগ্ন থাকে
নিতই নাকি মনের ভেতর সুরের পাখি ডাকে
সেই পাখিটি সুর তুলেছে পিয়াইন নদীর পাড়ে
তার মধুময় সুরের সানাই মনের ভেতর নাড়ে।
সবুজ ছোঁয়ায় শাপলা শালুক নাই বা ফটুক ফুল
সুরের সাথে তাল মেলাতে হয় যদি হউক ভুল
তার সোহাগী ঝাকড়া চুলে শব্দ কেবল উড়ে
প্রজাপতি আবির মেখে যাচ্ছে অনেক দুরে ।
আদর মাখা মায়ার ভেতর যাচ্ছে তারই কাল
ঢেউয়ে ঢেউয়ে শব্দ বোনে সাজায় মহাকাল
স্বজন পুরের গানের কবি গায়ের কথা বলে
মা’র আদুরী কিচ্ছা শোনায় পিয়ান নদীর জলে ।
কবির কথা যায় শোনা যায় পাখ- পাখালীর গানে
রাম ধনু রং রোজই আঁকে কবির মনে প্রাণে
প্রভাত বেলার রবির আলো শাপলা ফোটা বিল
কবির কথায় রাঙিয়ে তুলে দুর আকাশের নীল ।
কালিয়া কোর্টের কবি যখন-কাব্য রসে জাগে
ছন্দবাজের ছন্দ ছড়ায় গভীর অনুরাগে
ফানা ফুলের গন্ধ আকেঁ গাঁও গেরামের কবি
মফস্বলের ছবি আঁকে হাওর পাড়ের কবি ।
জম্মদিনে সুরের কবি কত কথাই লেখে
আমরা শুধু বাহবা দিলাম এসব দেখে দেখে
সুখের ছবি দুঃখের ছবি দেখে না আর কেউ
সুরের কবি চিত্র আঁকে অন্য রকম ঢেউ ।
(একজন গ্রামের কবির জম্মদিনে আমার এই সামান্য অনুভুতি।)