

একুশে বইমেলায় সব্যসাচী প্রকাশনীর স্টলে বিতর্কিত লেখিকা তাসলিমা নাসরিনের বই বিক্রিকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি ঘটনায় তাওহিদি জনতা নিয়ে উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ‘কটূক্তি’র প্রতিবাদে সিলেটে ‘তাওহিদি জনতাবন্ধন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টায় সিলেট মহানগরের বন্দরবাজারস্থ কোর্ট পয়েন্টে ‘নির্ভিক কওমিয়ান’র ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
‘তাওহিদি জনতাবন্ধন’ থেকে বক্তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে তাওহিদি জনতার কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার জোর দাবি জানান।
এছাড়া সোহেল রাগীব নামের একজনের বইয়ে নাবি সা.-এর বিষয়ে বেয়াদবিমূলক লেখা রয়েছে। সেই বই একুশের মেলায় বিক্রি করা হচ্ছে। অবিলম্বে সেই বিক্রি বন্ধ করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে বর্তমান সরকারের প্রতি দাবি জানান বক্তারা। পাশাপাশি কথিত এই লেখকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করেন তারা।
‘তাওহিদি জনতাবন্ধনে’ সভাপতিত্ব করেন ‘নির্ভিক কওমিয়ান’র আহ্বায়ক মাওলানা নিয়ামতুল্লাহ খাসদবিরি। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ‘হযরত শাহজালাল রাহ. তাওহিদি কাফেলা’র সদস্যসচিব মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ।
‘নির্ভিক কওমিয়ান’র সদস্য সচিব আখতার আহমদের পরিচালনায় ‘তাওহিদি জনতাবন্ধনে’ বক্তব্য রাখেন- সিয়ানাহ ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাদিকুর রহমান, কাজিরবাজার মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা কামরুল হক, শিক্ষাবিদ মাওলানা খলিল বিন ইখলাস, ছাত্রনেতা আব্দুল কাইয়ুম, ইসমাম আহমদ ও মুকাব্বির হুসেন প্রমুখ।
‘তাওহিদি জনতাবন্ধন’ শেষে মুনাজাত পরিচালনা করেন সিলেট মহানগর ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব।
মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ তাঁর বক্তব্যে ৪ দফা দাবি পেশ করেন। সেগুলো হলো- অবিলম্বে রাসুলদ্রোহী কবি সোহেল রাগীবকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান, তাওহিদি জনতা নিয়ে কটূক্তি করায় উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের নি:শর্ত ক্ষমা চাওয়া, ইসলামবিদ্বেষী লেখিকা তাসলিমা নাসরিনের সকল বই বিক্রি নিষিদ্ধ করা ও সব্যসাচীর স্টলে ছাত্র-জনতার উপর জয় বাংলা বলে হামলাকারীদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা।
এসব দাবি পূরণ না হলে সিলেট থেকে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে হুশিয়ারি উচ্চারণ করা হয় সিলেটের ‘তাওহিদি জনতাবন্ধনে’।