

সুরা মুলক পবিত্র কোরআনের ৬৭ নম্বর সুরা। এর আয়াত সংখ্যা ৩০। মক্কায় নাজিল হওয়া এই সুরাটি তেলাওয়াতে অনেক ফজিলত রয়েছে। এখানে কয়েকটি উল্লেখ করা হলো—
অফুরন্ত সওয়াব অর্জন
সুরা মুলক সব সময় পাঠ করার সুরা। এশার নামাজের পর সুরা মুলক পাঠে রয়েছে অফুরন্ত সওয়াব। কাব (রা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি (রাতে সুরা) ‘আলিফ লাম মিম সিজদা’ ও ‘তাবারাকাল্লাজি বিয়াদিহিল মুলক’ পড়বে, তার জন্য ৭০টি নেকি লেখা হবে, তার ৭০টি গুনাহ মাফ করা হবে এবং ৭০টি মর্যাদা উঁচু করা হবে।’ (দারেমি, হাদিস: ৩৪৫২)
কবরের আজাব থেকে মুক্তি
রাসুলুল্লাহ (সা.) সুরা মুলক পাঠ না করে কখনো ঘুমাতেন না। নিয়মিত এ সুরা পড়ার মাধ্যমে কবরের আজাব থেকে বাঁচা যায়। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘একবার এক সাহাবি একটি কবরের ওপর তার তাঁবু স্থাপন করেন । তিনি ধারণা করতে পারেননি, এটি কবর। হঠাৎ তিনি অনুভব করেন, কবরে একজন লোক সুরা মুলক তেলাওয়াত করছেন। তিনি পরে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে ঘটনা বললেন। রাসুলুল্লাহ (সা.)বললেন, এ সুরা প্রতিরোধক। এটি হলো মুক্তিদায়ক। এটি কবরের আজাব থেকে মুক্তি দেয়।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৮৯০)
সুপারিশ
সুরা মুলককে সুপারিশ করার অধিকার দেওয়া হবে। এটি তার পাঠককে প্রয়োজনে আল্লাহর সঙ্গে ঝগড়া করে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোরআনে ত্রিশ আয়াতবিশিষ্ট একটি সুরা রয়েছে। যা এক ব্যক্তির জন্য মাগফিরাতের সুপারিশ করেছে। ফলে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে। তা হলো সুরা তাবারাকাল্লাজি…(সুরা মুলক)।’ (আবু দাউদ, হাদিস: ১৪০০)
লেখক: আলেম ও মাদরাসা শিক্ষক