

বাঙালি জাতির অহংকার, প্রখ্যাত সমরবিদ, মহান মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সিইনসি, সংসদীয় গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ, বাঙালি জাতীয়তাবাদের অন্যতম প্রবক্তা, জাতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক মন্ত্রী, জাতীয় নেতা বঙ্গবীর জেনারেল মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর ৪১তম মৃত্যু বার্ষিকী ১৬ ফেব্রুয়ারি রোববার বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করা হয়।
দিনটি যথাযথ মর্যাদার সাথে পালনের লক্ষ্যে বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি সংসদ সিলেটের উদ্যোগে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত হাফিজ আমির উদ্দীন (রহ) এতিমিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা মেজরটিলার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও দরগাহে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে হাফিজগণের নেতৃত্বে খতমে কোরআন, বাদ যোহর হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে পর বঙ্গবীর ওসমানীর মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মরহুমের কবর জিয়ারত।
মিলাদপূর্ব আলোচনা সভায় বঙ্গবীর ওসমানীর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন, বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি সংসদের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য বিশিষ্ট চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী ও সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের (অব.) অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি চৌধুরী আতাউর রহমান আজাদ এডভোকেট।
তাঁরা তাদের বক্তব্যে, সিলেটের কৃতি সন্তান বঙ্গবীর জেনারেল এম.এ.জি ওসমানীকে রাষ্ট্রীয় ভাবে সম্মান প্রদর্শন করা এবং তাঁর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন, তাঁর লিখিত পান্ডুলিপি প্রকাশ করা এবং তাঁর জীবনী স্কুল-কলেজে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবী জানান।
দোয়া মাহফিল ও তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি সংসদের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী গোলাম মর্তুজা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন আহমদ, সাংবাদিক চৌধুরী দেলওয়ার হোসেন জিলন, সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, স্মৃতি সংসদের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মালিক, যুব সংগঠক কয়েছ আহমদ সাগর, আমীন তাহমিদ, কারী আবুল লেইছ, মাওলানা আব্দুস সোবহান প্রমুখ।
মিলাদ মাহফিল শেষে বঙ্গবীর এম.এ.জি ওসমানীর আত্মর মাগফেরা কামনাসহ দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন হাফিজ মাওলানা শামসুল ইসলাম ভাদেশ্বরী।