ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ | ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলানিউজ২৪ টুডে
বিজ্ঞাপন
ব্রেকিং নিউজ
ভারতীয় কম্বল’সহ ১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশগ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার, জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবে আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলমবড়লেখায় সাদেক হোসেন খোকার ৭ম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিলপীর সাহেব চরমোনাই সিলেট আসছেন, মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করবেন শুক্রবারসিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের এক যুগ পূর্তি উৎসব উদযাপনতাঁতীদল কোতোয়ালী থানা শাখার ১০৩ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি অনুমোদনজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সিলেট জেলা যুবদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিতবিশ্বনাথে ১০টি হতদরিদ্র পরিবার পেল এমপি মাহফুজা হান্নানের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তাতাসকিনের জোড়া আঘাত, শুরুতেই ৩ উইকেট হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজবিরাটের ৩৮তম জন্মদিনে তার ১০ বিশ্বরেকর্ড, যা ভাঙা প্রায় অসম্ভব!
খেলাধুলা

ব্রাজিলে ফুটবল ম্যাচে মারামারি, ৫৩ লাল কার্ডের বিশ্ব রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক- 

ফুটবল–ইতিহাসে কোনো ম্যাচে এমন ভয়াবহ মারামারি হয়েছে কিনা, সেটা গবেষণার বিষয়। লাল কার্ড দেখেছেন মোট ৫৩ জন!

ব্রাজিলের মিনাস গেরাইসে অনূর্ধ্ব–২০ পর্যায়ে রাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে গত রোববার উবেরলান্দিয়ার মুখোমুখি হয় মামোরে। মামোরের ৩–১ গোলে জয়ের এ ম্যাচে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন দুই দলের খেলোয়াড় ও স্টাফরা। রেফারি ফার্নান্দো প্যাট্রিক মোদেস্তের ম্যাচ রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই দল মারামারিতে জড়িয়ে পড়ার পর মোট ৪০ জন খেলোয়াড় ও ৮ জন স্টাফকে লাল কার্ড দেখান রেফারি ফার্নান্দো প্যাট্রিক মোদেস্তে।

মারামারির এ ঘটনার আগে আরও তিন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখান রেফারি। উবেরলান্দিয়ার দুই বোর্ড সদস্যকেও লাল কার্ড দেখানো হয়। সব মিলিয়ে লাল কার্ড দেখেন দুই দলের মোট ৪৩ খেলোয়াড়, ৮ কোচিং স্টাফ এবং ২ জন ক্লাব অফিশিয়াল।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, এর আগে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩৬ লাল কার্ড দেখা গেছে। সেটা ২০১১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আর্জেন্টিনার পঞ্চম বিভাগে ক্লাব আতলেতিকো ক্লাইপোলে ও ভিক্টোরিয়া আরেভাসের মধ্যকার ম্যাচে। সেই রেকর্ড ভেঙে এবার গিনেস বইয়ে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়ল ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের এ ম্যাচ।

রেফারির বিরুদ্ধে সহিংসতার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠায় পুলিশের কাছে অভিযোগও করা হয়। মিনাস গেরাইস ফুটবল ফেডারেশন প্রকাশিত ও রেফারির ম্যাচ রিপোর্ট অনুযায়ী, মামোরে দ্বিতীয়ার্ধে যোগ করা সময়ের ৯ মিনিটে প্রায় সব কটি লাল কার্ড দেখানো হয়।

ম্যাচ রিপোর্টে বলা হয়, গোল উদযাপনের সময় মামোরের এক খেলোয়াড় উবেরলান্দিয়া বেঞ্চের দিকে ‘উসকানিমূলক ও আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি’ করেন এবং বলেন, ‘এটা মামোরে, নিজেদের চরকায় তেল দাও! চলে যাও এখান থেকে!’ রিপোর্টে আরও বলা হয়, উবেরলান্দিয়া কোচিং স্টাফদের এক সদস্য মাঠে দৌড়ে গিয়ে এক খেলোয়াড়কে ধাক্কা মারেন, যার ফলে ‘পূর্ণাঙ্গ হাতাহাতি বা মারামারি শুরু হয়ে যায়’। দুই দলের স্কোয়াড এবং কোচিং স্টাফ থেকে বহিষ্কৃত অন্য ৪৬ জনের সঙ্গে সেই দুজনকেও ‘প্রতিপক্ষকে ঘুষি ও লাথি মারার দায়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

মোদেস্তে ম্যাচ রিপোর্টে উল্লেখ করেন, ‘হট্টগোলের কারণে’ তার পক্ষে শারীরিকভাবে লাল কার্ডগুলো দেখানো সম্ভব হয়নি। সব মিলিয়ে উবেরলান্দিয়ার ২৪ জন এবং মামোরের ২৯ জনকে লাল কার্ড দেখিয়ে বহিষ্কার করা হয়।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরুর সাত মিনিট পর উবেরলান্দিয়ার লুইকে বিস্পো দো সান্তোসকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান রেফারি মোদেস্তে। এরপরই প্রথম ঝামেলা শুরু হয়। সান্তোস লাল কার্ড দেখার পর ক্লাবটির স্টাফদের তিনজন ‘মাঠে ঢুকে পড়েন এবং অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ও ভীতিপ্রদ ভঙ্গিতে আঙুল উঁচিয়ে রেফারিদের দিকে এগিয়ে যান’।

তাদের একজনের রেফারিদের প্রতি হুমকির ভাষা ছিল এমন, ‘আজ এখান থেকে বের হতে পারবে না। কী ভেবেছ, শহর ছেড়ে চলে যেতে পারবে? আমরা তোমাদের দেখে নেব! আমাদের ক্ষতি করতেই তোমরা এখানে এসেছ!’ উবেরলান্দিয়া স্টাফদের আরেকজন রেফারিদের হুমকি দেন এই বলে, ‘এখান থেকে যেতে পারবি না। দেখি তোকে পুলিশ পাহারা দিয়ে বের করতে পারে কি না। বাইরে তোকে দেখে নেব, শুধু তুই আর আমি, তোকে আমি খুন করব।’

উবেরলান্দিয়ার এই দুই স্টাফকে লাল কার্ড দেখানো হয় এবং ‘মাঠে ঢুকে পড়া সব কর্মকর্তাকে সরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত’ ম্যাচটি ৪০ মিনিট স্থগিত রাখা হয়।

খেলা পুনরায় শুরুর প্রায় ১৫ মিনিট পর, ফাউলের প্রতিবাদ জানিয়ে রেফারিকে লক্ষ্য করে ‘আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে চিৎকার করে এগিয়ে যাওয়ার’ অপরাধে মামোরের খেলোয়াড়কে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। সেই খেলোয়াড় বলছিলেন, ‘মশকরা করছেন নাকি? আমাকে ঘুষি মেরেছে! এটা আপনার দেখা উচিত!’ এর এক মিনিট পর প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের পেটে ঘুষি মারার দায়ে উবেরলান্দিয়ার এক খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখানো হয়।

যোগ করা সময়ে হাতাহাতির সময় উবেরলান্দিয়ার ছয়জন বলবয় ‘মামোরে দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের লাথি মারেন এবং বিভিন্ন জিনিস ছুড়ে মারেন’।

রেফারির ম্যাচ রিপোর্টে আরও বলা হয়, এক ক্লাব স্টাফ ‘দৌড়ে গিয়ে খেলোয়াড়দের লাথি মারতে শুরু করেন’ এবং ‘খেলোয়াড়েরা ড্রেসিংরুমে যাওয়ার পর’ তিনি ‘মামোরে দলের পানি রাখার কুলার, ম্যাসাজের ব্যাগ এবং অন্য জিনিসপত্র স্টেডিয়ামের একটি নর্দমায় ছুড়ে ফেলেন’।

রেফারি মোদেস্তেকে জানানো হয়েছে, ‘মামোরে দলের খেলোয়াড়েরা যে ড্রেসিংরুমে ছিলেন, সেটি তারা নিজেরাই ভাঙচুর করেছে এবং ওই দলের করা ক্ষতির বিবরণ দিয়ে মামলাও করা হবে।’

মন্তব্য করার নিয়ম
  • বাংলা বা ইংরেজিতে ভদ্র ও শালীন ভাষায় আপনার মতামত লিখুন।
  • গালাগাল, ব্যক্তিগত আক্রমণ, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক উসকানি এবং মিথ্যা তথ্য থাকলে মন্তব্য মুছে ফেলা হবে।
  • আপনার ইমেইল ঠিকানা কোথাও প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা আবশ্যক।
  • মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হতে পারে। পোস্ট করার পর আমরা আপনাকে ধন্যবাদ জানাব।

আপনার মন্তব্য লিখুন

মাল্টি মিডিয়া

ভিডিও সেন্টার »

Facebook ভিডিও

এখনো কোনো ভিডিও নেই

Bilibili ভিডিও

এখনো কোনো ভিডিও নেই