ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ | ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলানিউজ২৪ টুডে
বিজ্ঞাপন
ব্রেকিং নিউজ
কেরানীগঞ্জে আব্দুলাহপুরে উচ্ছেদের এক দিন পরই আবার দখলে ফুটপাত-সড়ক, প্রশাসনে তদারকি অভাবগোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়া প্রেস ক্লাবের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সুধীজনের মিলনমেলালন্ডনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ ও গুণীজন সম্মাননাদীপদান উৎসবে প্রতিদিন বাড়ছে দর্শনার্থীদের আগ্রহদক্ষিণ সুরমায় মোছাব্বির আহমদ একাডেমির প্রথম মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঅক্টোবর মাসে সিলেটের সড়কে প্রাণ গেল ২৭ জনেরশিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছে গ্রীনওয়ে একাডেমি: প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হকবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজায় বাধা প্রদানের প্রতিবাদে সিলেটে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মৌন মানববন্ধনকালী পূজায় পটকা বর্জন ও বিক্রি বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনারকে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের স্মারকলিপি২৫ নভেম্বর সিলেটে আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলন প্রায় দুই দশক পর সিলেট আসছেন শায়খুল ইসলাম মুফতি তাকি উসমানী
ব্রেকিং নিউজ

কেরানীগঞ্জে আব্দুলাহপুরে উচ্ছেদের এক দিন পরই আবার দখলে ফুটপাত-সড়ক, প্রশাসনে তদারকি অভাব

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি-

ঢাকার কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উপজেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানের এক দিন না যেতেই আবারও দখল হয়ে গেছে উচ্ছেদ করা স্থানগুলো। আগের মতোই ফুটপাত ও সড়কের ওপর বসতে শুরু করেছে অবৈধ দোকানপাট। এতে প্রশাসনের অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসনের তদারকির অভাব এবং উদাসীনতার সুযোগে দখলদাররা আবারও জায়গা দখল করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় ফুটপাতের প্রতিটি দোকান থেকে দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা তোলা হয়। স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্র এসব দোকান থেকে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই অর্থ বিভিন্ন মহলে ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

এর আগে গত সোমবার (২ নভেম্বর)
যানজট নিরসন এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে দুই শতাধিক অবৈধ দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করে। অভিযানে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হলেও স্থায়ীভাবে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর তদারকি না থাকায় পরিস্থিতি আবারও আগের অবস্থায় ফিরে গেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ঢাকঢোল পিটিয়ে অভিযান চালানো হলো। দুই শতাধিক দোকান উচ্ছেদের খবরও প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। কিন্তু বাস্তবে অভিযানের সুফল পাওয়া যায়নি। উচ্ছেদের পরদিনই আবার আগের জায়গায় দোকান বসেছে। তাঁদের প্রশ্ন, অভিযান যদি স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত রাখার জন্যই হয়ে থাকে, তাহলে এত দ্রুত কীভাবে আবার ফুটপাত ও সড়ক দখল হলো?

আনিসুজ্জামান নামের এক পথচারী বলেন, আমরা ভেবেছিলাম উচ্ছেদের পর অন্তত ফুটপাত দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারব। কিন্তু এক দিন যেতে না যেতেই আবার দোকান বসেছে। প্রশাসন অভিযান চালানোর পরও কীভাবে অসাধু ব্যবসায়ীরা আবার জায়গা দখল করছে, সেটি আমাদের বোধগম্য নয়। এটি কি শুধু লোকদেখানো অভিযান, নাকি অভিযান শেষে তদারকির অভাবের সুযোগ নিচ্ছে দখলদাররা?

স্থানীয়দের দাবি, শুধু উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখার পাশাপাশি অবৈধভাবে দোকান বসানোর পেছনে কারা জড়িত এবং চাঁদা আদায়ের অভিযোগের সঙ্গে কারা সম্পৃক্ত, তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে নিয়মিত নজরদারি ও পুনর্দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, ‘সড়ক ও ফুটপাত দখল করার কোনো সুযোগ নেই। আবারও দখল করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করার নিয়ম
  • বাংলা বা ইংরেজিতে ভদ্র ও শালীন ভাষায় আপনার মতামত লিখুন।
  • গালাগাল, ব্যক্তিগত আক্রমণ, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক উসকানি এবং মিথ্যা তথ্য থাকলে মন্তব্য মুছে ফেলা হবে।
  • আপনার ইমেইল ঠিকানা কোথাও প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা আবশ্যক।
  • মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হতে পারে। পোস্ট করার পর আমরা আপনাকে ধন্যবাদ জানাব।

আপনার মন্তব্য লিখুন

মাল্টি মিডিয়া

ভিডিও সেন্টার »

Facebook ভিডিও

এখনো কোনো ভিডিও নেই

Bilibili ভিডিও

এখনো কোনো ভিডিও নেই