ঢাকা, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ | ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলানিউজ২৪ টুডে
বিজ্ঞাপন
ব্রেকিং নিউজ
গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়া প্রেস ক্লাবের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সুধীজনের মিলনমেলালন্ডনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ ও গুণীজন সম্মাননাদীপদান উৎসবে প্রতিদিন বাড়ছে দর্শনার্থীদের আগ্রহদক্ষিণ সুরমায় মোছাব্বির আহমদ একাডেমির প্রথম মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঅক্টোবর মাসে সিলেটের সড়কে প্রাণ গেল ২৭ জনেরশিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছে গ্রীনওয়ে একাডেমি: প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হকবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজায় বাধা প্রদানের প্রতিবাদে সিলেটে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মৌন মানববন্ধনকালী পূজায় পটকা বর্জন ও বিক্রি বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনারকে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের স্মারকলিপি২৫ নভেম্বর সিলেটে আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলন প্রায় দুই দশক পর সিলেট আসছেন শায়খুল ইসলাম মুফতি তাকি উসমানী৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে মহানগর বিএনপির কর্মসূচি
জাতীয়

ঢাকা মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ পালটাপালটি ধাওয়া, মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ

ঢাকা রাজধানীর মিরপুর-১১ তে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে ফের সড়ক অবরোধ করেন আন্দোলনরত শ্রমিকরা। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। শ্রমিকরাও পুলিশের উপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। দুইপক্ষের পালটাপালটি ধাওয়া চলমান রয়েছে।

শ্রমিক আন্দোলনের কারণে মিরপুর মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ রয়েছে।

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আন্দোলনের মুখে দেশের প্রধান তিনটি শিল্পাঞ্চলে চরম শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এবং শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে বের হয়ে যাওয়ায় রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর-ময়মনসিংহ এবং সাভার-আশুলিয়া-জিরানী অঞ্চলের ৬৭৯টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে কাজ না করেই কারখানা থেকে বাসায় ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন ১৬ লাখ ৮০ হাজার ৫৭২ জন শ্রমিক। সোমবার বিজিএমইএ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিজিএমইএর হিসাব অনুযায়ী, দেশের পাঁচটি শিল্পাঞ্চলে মোট দুই হাজার ১৩৪টি কারখানার মধ্যে এক হাজার ৪৫৫টি খোলা ছিল। সোমবার বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন এলাকার মোট ৬৭৯টি কারখানা শ্রমিক অসন্তোষের কারণে বন্ধ রয়েছে।

বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, সাভার, আশুলিয়া, জিরানী বাজার, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের মোট দুই হাজার ১৩৪টি কারখানার মধ্যে এক হাজার ৪৫৫টি কারখানা খোলা ছিল। ৬৭৯টি কারখানার শ্রমিকরা কাজে অংশ না নিয়ে চলে যাওয়ায় উৎপাদন বন্ধ ছিল।

মিরপুরের মোট ৩২০টি কারখানার মধ্যে ৫৫টি কারখানা থেকে শ্রমিকরা বের হয়ে যান। কাজ না করে চলে যাওয়া শ্রমিকের সংখ্যা ৫৩ হাজার ৮৪০ জন।

গাজীপুর এবং ময়মনসিংহ এলাকার ৮৩৬টি কারখানার মধ্যে ৩৮২টি কারখানা বন্ধ ছিল। সাভার-আশুলিয়া এবং জিরানী শিল্পাঞ্চলে ৪৪১টি কারখানার মধ্যে ২২৩টি কারখানার সাত লাখ ৪৩ হাজার শ্রমিক কাজ বন্ধ রাখেন। নারায়াণগঞ্জে ১৯৯টি কারখানার মধ্যে ৯টি কারখানা থেকে শ্রমিক বের হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। চট্টগ্রামে এলাকায় ৩৪০টি কারখানা থাকলেও সেখানে কোনো শ্রমিক অসন্তোষ বা কাজ বন্ধের ঘটনা ঘটেনি। শিল্পাঞ্চলগুলোতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য করার নিয়ম
  • বাংলা বা ইংরেজিতে ভদ্র ও শালীন ভাষায় আপনার মতামত লিখুন।
  • গালাগাল, ব্যক্তিগত আক্রমণ, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক উসকানি এবং মিথ্যা তথ্য থাকলে মন্তব্য মুছে ফেলা হবে।
  • আপনার ইমেইল ঠিকানা কোথাও প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা আবশ্যক।
  • মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হতে পারে। পোস্ট করার পর আমরা আপনাকে ধন্যবাদ জানাব।

আপনার মন্তব্য লিখুন

মাল্টি মিডিয়া

ভিডিও সেন্টার »

Facebook ভিডিও

এখনো কোনো ভিডিও নেই

Bilibili ভিডিও

এখনো কোনো ভিডিও নেই