ঢাকা, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬ | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলানিউজ২৪ টুডে
বিজ্ঞাপন
ব্রেকিং নিউজ
মুক্তাক্ষরের উদ্যোগে শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি উৎসব সম্পন্নশহীদ জিলু আহমেদ দিলুর ৩য় মৃত্যুবার্ষিকীতে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের দোয়া মাহফিলব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করায় সিলেটে মালিক-শ্রমিক ঐক্যজোটের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশআট মাসের সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা চলছে: সিলেটে রুহুল কবির রিজভীঅসত্য ও অন্যায়ের সঙ্গে কখনো আপস করা যাবে না মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দিজামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের জামিন স্থগিত চেয়ে আপিলজামায়াতের ছত্রছায়ায় থাকলে এনসিপি পরগাছায় পরিণত হবে: রাশেদ খাঁনজামায়াত জোট ছাড়লে এনসিপি তিন খণ্ডে বিভক্ত হবে: আবু হানিফএখন যারা আন্দোলনের নামে সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীছয় বছরে যেভাবে ১৩ থেকে ৪১ কোটি টাকা সম্পত্তির মালিক সারা
জাতীয়

ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রকে মানুষের ভরসার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই: আইনমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক –

ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রটাকে মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় ই-পারিবারিক আপিল আদালত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে ৪৬ লাখের ওপরে মামলা পেন্ডিং রয়েছে। এ বিশাল সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারকদের ওপর অমানবিক চাপ পড়ে। এ চাপ কমানোর জন্য আমরা কাজ করছি।

তিনি বলেন, কোনো কোনো জায়গায় এমন অভিযোগ আছে, কেউ কেউ দুই-তিন ঘণ্টা কোর্ট করেন, বেলা ১১টায় আসেন, দেড়টা-দুটোর মধ্যে কাজ শেষ করে চলে যান। যদি এমন আয়েশি জুডিশিয়াল অফিসার কেউ থেকে থাকেন, আমরা অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ন্যায়বিচারের জায়গাটাকে যদি সত্যিকার অর্থে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় পরিণত করতে হয়, তাহলে আমাদের যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং ডিজিটাল সেক্টর। এআইকে মোকাবিলা করতে হলে, ডিজিটাল সেক্টরে আমাদের আরও বেশি পারদর্শী হতে হবে। বিশেষ করে আমাদের তরুণ বিচারকরা অনেক বেশি স্মার্ট। আমি বিশ্বাস করি, তারা এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবে এবং এআইকে সামনে নিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই ই-বেইল বন্ড চালু করেছি এবং এটার সুফল জনগণ পাওয়া শুরু করেছে। আমাদের একটা আইন আছে, সেটা হলো ডিজিটালি সাক্ষ্য নেওয়া এবং ডিজিটালি হাজিরা দেওয়া। আমরা চিন্তা করছি, এটাকেও কীভাবে ডিজিটালি আনা যায়। ইতোমধ্যে আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কোনো কোনো আসামির ক্ষেত্রে ডিজিটাল হাজিরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওনারা হাজিরা দেবেন, ধার্য তারিখে কারাগারে থাকবেন। ওখান থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাকে হাজির করে কনফার্ম করছেন, আদালত তার ডিজিটাল হাজিরা কনফার্ম করে নিচ্ছেন।

মন্তব্য করার নিয়ম
  • বাংলা বা ইংরেজিতে ভদ্র ও শালীন ভাষায় আপনার মতামত লিখুন।
  • গালাগাল, ব্যক্তিগত আক্রমণ, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক উসকানি এবং মিথ্যা তথ্য থাকলে মন্তব্য মুছে ফেলা হবে।
  • আপনার ইমেইল ঠিকানা কোথাও প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা আবশ্যক।
  • মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হতে পারে। পোস্ট করার পর আমরা আপনাকে ধন্যবাদ জানাব।

আপনার মন্তব্য লিখুন

মাল্টি মিডিয়া

ভিডিও সেন্টার »

Facebook ভিডিও

এখনো কোনো ভিডিও নেই

Bilibili ভিডিও

এখনো কোনো ভিডিও নেই