ঢাকা, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ | ২২ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলানিউজ২৪ টুডে
ব্রেকিং নিউজ
ইতিহাসে কখনো যা হয়নি, সে রেকর্ড গড়ে ফেললেন হৃদয়বাড়ল গ্রামপুলিশের বেতন-ভাতাসবুজের কাছে মানুষের ঋণসান্তিয়াগো পেনা গ্রেফতার, প্যারাগুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট আলিয়ানাপ্রধানমন্ত্রীর সামনেও মাথা উঁচু করে বলে এসেছি: ইশরাক১৫ আগস্ট সামরিক কর্মকর্তাদের প্রতিশোধ, ৭ নভেম্বর হয়েছিল জনবিপ্লব: জামায়াত আমির৭ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ম্যাগনা কার্টা: প্রধানমন্ত্রীসম্মেলনের মাধ্যমে ৩৫নং ওয়ার্ড বিএনপির কাউন্সিল সম্পন্ন সভাপতি আব্দুর রহমান, সম্পাদক মুহিন, সাংগঠনিক আলমগীরমনিপুরী ছাত্র সমিতির প্রাইমারি ও জুনিয়র মেধা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতনিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ-মিছিল করার সময় গ্রেফতার করেছে   পুলিশ
ব্রেকিং নিউজ

১৫ আগস্ট সামরিক কর্মকর্তাদের প্রতিশোধ, ৭ নভেম্বর হয়েছিল জনবিপ্লব: জামায়াত আমির

১৫ আগস্টের ঘটনাকে সামরিক কর্মকর্তাদের প্রতি অবহেলা ও অপমানের প্রতিশোধ বলেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তার অভিমত, ওই ঘটনায় সাধারণ মানুষের কোনো যোগ ছিল না। ৭ নভেম্বর নিয়ে তিনি বলেছেন, সেটি ছিল সিপাহিদের নেতৃত্বে ঘটা বিপ্লব যাতে সাধারণ মানুষ তাতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে একাত্মতা দেখিয়েছিল।

শুক্রবার সকালে ঢাকার আল-ফালাহ মিলনায়তনে একটি আলোচনাসভা হয়। ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে সভাটি আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বক্তব্যে শফিকুর রহমান ১৯৭২ সালের পরের রাজনৈতিক অবস্থার কথা তোলেন। তার অভিযোগ, তখনকার সরকার ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশ নেওয়া ইসলামি সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করেছিল। ফলে জনগণের ম্যান্ডেটও হারিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, রক্ষীবাহিনীকে সীমাহীন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। এতে বিচারহীনতার সংস্কৃতি শুরু হয়। নানা ধরনের দমনপীড়নের মাধ্যমে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা চালু করা হয়।

শফিকুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, সেই সময় সেনাবাহিনীর সদস্যদের অপমান করা হতো। এক সেনা কর্মকর্তার স্ত্রীকে অপহরণ করা হয়েছিল। বিচার চাইতে গিয়ে ওই কর্মকর্তা চাকরি হারান। এমন নানা নৈরাজ্য থেকেই ১৫ আগস্টের পটপরিবর্তন ঘটে। এরপর ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের পাল্টা অভ্যুত্থানে অস্থিরতা আরও বাড়ে।

শেষে ৭ নভেম্বর সিপাহিরা সংগঠিত হয়ে জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেন। তার বর্ণনায়, তখন রাজপথে সাধারণ মানুষ তাকবির ধ্বনি দিয়ে তাদের স্বাগত জানায়। এই দিনই ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ নামে পরিচিতি পায়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য করার নিয়ম
  • বাংলা বা ইংরেজিতে ভদ্র ও শালীন ভাষায় আপনার মতামত লিখুন।
  • গালাগাল, ব্যক্তিগত আক্রমণ, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক উসকানি এবং মিথ্যা তথ্য থাকলে মন্তব্য মুছে ফেলা হবে।
  • আপনার ইমেইল ঠিকানা কোথাও প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা আবশ্যক।
  • মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হতে পারে। পোস্ট করার পর আমরা আপনাকে ধন্যবাদ জানাব।

আপনার মন্তব্য লিখুন

মাল্টি মিডিয়া

ভিডিও সেন্টার »

Facebook ভিডিও

এখনো কোনো ভিডিও নেই

Bilibili ভিডিও

এখনো কোনো ভিডিও নেই