ঢাকা, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ | ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলানিউজ২৪ টুডে
ব্রেকিং নিউজ
শহীদ জিয়ার সততা ও দেশপ্রেমের উচ্চতম মানদণ্ডকে সামনে রেখেই আমাদের পথ চলতে হবে: খন্দকার মুক্তাদিরসিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাসদ ও যুবজোট সিলেটের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতঅক্টোবরে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে ৪.৩৯ শতাংশ, সবচেয়ে বেশি মাছেরসাড়ে ৮ লাখ টন ধান-চাল কিনবে সরকার৫ ঘণ্টা পর রেল-সড়ক অবরোধ কর্মসূচি তুলে নিয়েছে স্থানীয়রাবান্দরবানে পাহাড়ি ঝিরি থেকে এক যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার করলো পুলিশআমির হামজার অডিও কথোপকথন নিয়ে অনড় অবস্থানে রাশেদ খাঁনশিল্পাঞ্চলে ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনরেডি হও জামায়াত, তোমাদের পাকিস্তানে পাঠানো হবে: পাপিয়ানিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে পরীমনিকে আইনি নোটিশ
সর্বশেষ

সুদানের গৃহযুদ্ধে ভাড়াটে সেনা পাঠাচ্ছে আমিরাত, বেরোল চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক –

সুদানের গৃহযুদ্ধে আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) হয়ে লড়াই করতে ভাড়াটে সেনা পাঠিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। জাতিসংঘের তদন্তকারীদের একটি গোপন প্রতিবেদনে এ বিষয়ে অকাট্য প্রমাণ পাওয়ার দাবি করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের হাতে আসা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমিরাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল সিকিউরিটি সার্ভিসেস গ্রুপ (জিএসএসজি) কলম্বীয় ভাড়াটে সেনাদের লিবিয়া, সোমালিয়া ও চাদ হয়ে সুদানে পাঠিয়েছে। এসব দেশে আমিরাতের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমালিয়ার আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল পুন্টল্যান্ডের বসাসো শহরে অবস্থিত পুন্টল্যান্ড মেরিটাইম পুলিশ ফোর্সের (পিএমপিএফ) ঘাঁটি কলম্বীয় সেনাদের যাতায়াত ও প্রশিক্ষণের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। আমিরাতের সামরিক বাহিনী ওই বাহিনীকে অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ ও তদারকি করেছে।

জাতিসংঘের তদন্তকারীদের দাবি, আমিরাতের আবুধাবি, ঘায়াথি ও আল-ওয়াথবাহ এবং সোমালিয়ার বসাসো ঘাঁটিতে এসব ভাড়াটে সেনাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে তাদের সুদানে মোতায়েন করা হয়।

সুদানের দারফুর অঞ্চলে আরএসএফের সামরিক অভিযানে এসব সেনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে উত্তর দারফুরের রাজধানী এল-ফাশের অবরোধ ও দখলের অভিযানে তারা অংশ নেন। ড্রোন পরিচালনা, গোলন্দাজ সহায়তা ও পদাতিক বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করার দায়িত্ব পালন করেন তারা।

গত বছরের অক্টোবরে ৫০০ দিনের বেশি অবরোধের পর এল-ফাশের দখল করে আরএসএফ। ওই অভিযানের সময় বাহিনীটির বিরুদ্ধে বেসামরিক মানুষকে হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে।

তবে সুদানের সংঘাতে কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে আমিরাত। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভাড়াটে সেনা সংশ্লিষ্ট অভিযোগকে তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে।

এদিকে, আমিরাতের শীর্ষ কূটনীতিক লানা নুসেইবেহ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে সুদানে আরএসএফকে আমিরাতের সমর্থনের অভিযোগ তার প্রার্থিতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছে।

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত সুদানের রাষ্ট্রদূত বাবিকার আল-সিদ্দিক আল-আমিন বলেছেন, সুদানের মানুষের রক্ত যাদের হাতে, তাদের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দেওয়া উচিত নয়। নুসেইবেহ জাতিসংঘের মহাসচিব হলে সংস্থাটির বিশ্বাসযোগ্যতা বড় ধরনের ধাক্কা খেতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

অন্যদিকে, নুসেইবেহ দাবি করেছেন, আরএসএফের সংঘটিত নৃশংসতার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে জাতিসংঘের তদন্ত কার্যক্রমকেও তিনি সমর্থন করবেন।

প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে জমা দেওয়া হলেও গোপন রাখা হয়েছে। এর আগে একই ধরনের আরেকটি প্রতিবেদনে সুদানের যুদ্ধে আরএসএফকে আমিরাতের ভাড়াটে সেনা সরবরাহের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। তবে আমিরাতের ঘনিষ্ঠ মিত্র বাহরাইন কয়েক মাস ধরে ওই প্রতিবেদন প্রকাশ আটকে রেখেছে।

মন্তব্য করার নিয়ম
  • বাংলা বা ইংরেজিতে ভদ্র ও শালীন ভাষায় আপনার মতামত লিখুন।
  • গালাগাল, ব্যক্তিগত আক্রমণ, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক উসকানি এবং মিথ্যা তথ্য থাকলে মন্তব্য মুছে ফেলা হবে।
  • আপনার ইমেইল ঠিকানা কোথাও প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘর পূরণ করা আবশ্যক।
  • মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হতে পারে। পোস্ট করার পর আমরা আপনাকে ধন্যবাদ জানাব।

আপনার মন্তব্য লিখুন

মাল্টি মিডিয়া

ভিডিও সেন্টার »

Facebook ভিডিও

এখনো কোনো ভিডিও নেই

Bilibili ভিডিও

এখনো কোনো ভিডিও নেই